বিধবা নারীদের কেন বিয়ে করতে চান বেশির ভাগ সৌদি যুবক?

সৌদি আরবের বেশিরভাগ যুবকরা বিধবাদের বিয়ে করতে আগ্রহী। এক সমীক্ষায় জানা গেছে, ৬৭ দশমিক ২ শতাংশ যুবকই বিয়ে করতে চান বিধবাদের। দেশটির বিধবা নারীদের জন্য নিঃসন্দেহে এটি সুখবর। সম্প্রতি জেদ্দাভিত্তিক দাতব্য সংস্থা ‘সোসাইটি ফর ম্যারেজ অ্যান্ড ফ্যামিলি কাউন্সেলিং’ প্রকাশিত এক জরিপের ফল থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এতে আরো জানা যায়, বেশি বয়সীদের বিয়েতে আগ্রহী সৌদি যুবকরা। সৌদি যুবকদের ৭৭ দশমিক ৩ শতাংশ বিচ্ছেদ হওয়া নারীদের বিয়ে করতে চায়।

জরিপে অংশ নেয়া যুবকদের ৭৪ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি বয়সী অবিবাহিত নারীদের বিয়ে করতে আগ্রহী। জরিপের ফল প্রসঙ্গে দাতব্য সংস্থাটির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আবদুল্লাহ বিন মোহাম্মদ মাতবৌলি বলেন, বর্তমানে বিচ্ছেদ হওয়া বা বিধবা নারীদের সম্বন্ধে সমাজে কিছু ভ্রান্ত ধারণা প্রচলিত আছে। যা আরবের শিক্ষার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। মাতবৌলির মতে, শিক্ষা ও সচেতনতা বাড়ায় অনেক যুবকই বিধবা কিংবা বিচ্ছেদ হওয়া নারীদের বিয়েতে আগ্রহী হয়েছেন।

‘বড় ছেলে’ এখন পাগল : – বিনোদন ডেস্ক: ‘বড় ছেলে’র খ্যাতি জড়িয়ে আছে ছোটপর্দার তুমুল জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব’র সাথে। বিগত প্রায় দুই বছর ধরে অভিনেতা অপূর্ব ‘বড় ছেলে’র ইমেজ ধারণ করে আছেন দর্শকের মাঝে। কিন্তু এবার ‘বড় ছেলে’র সেই ইমেজ ভাঙতে চলেছেন এই অভিনেতা। অন্তত বিপুল সংখ্যক দর্শকদের ধারণা এমনই! মাথা ভর্তি কালো আর লালচে চুল। লম্বা গোঁফ দাড়িতে মুখ ভরে গেছে। পরেছেন সাদা ময়লা ছেঁড়া টি-শার্ট আর প্যান্ট। ক’দিন আগেই ছোটপর্দার রোমান্টিক অভিনেতা অপূর্ব’র এমন সাজের বেশকিছু ছবি অন্তর্জালে ছড়িয়ে ছিলো।

প্রিয় অভিনেতাকে এ অবস্থায় দেখে ভিমড়ি খেয়েছিলেন তার তুখোড় ভক্তরাও! এবার জট খুললো অপূর্ব’র পাগলাটে সাজের সেইসব স্থিরচিত্রের রহস্যেরও! সম্প্রতি জি-সিরিজ-এর ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ পেলো অপূর্ব অভিনীত নাটক ‘প্রস্থান’। আর সেখানেই বদ্ধ উন্মাদের চরিত্রে দেখা গেলো অপূর্বকে! অপূর্বকে নিয়ে এই নাটকটি নির্মাণ করেছেন বিইউ শুভ। যার গল্প লিখেছেন জনপ্রিয় গীতিকার রাজীব আহমেদ। ‘প্রস্থান’-নাটকটি রবিবার ইউটিউবে দেয়ার পর দুই দিনেই ১০ লাখ বার দেখা হয়। এখন পর্যন্ত নাটকটি দেখা হয়েছে ১১ লাখ ২০ হাজারেরও বেশিবার। ইউটিউবে নাটকটি দেখে প্রায় সব দর্শকই ইতিবাচক মন্তব্য করছেন।

দেবব্রত নামের এক দর্শক নাটকটি দেখে অপূর্ব’র অভিনয়ের প্রশংসা করে লিখেন, কিছু ভাষা হৃদয়ের স্পন্দনে থেকে যায়। যা কখনো প্রকাশ করা সম্ভব হয় না। তেমনি অপূর্ব ভাইয়ের অভিনয়। আদনান তাহির নামে একজন লিখেছেন, ‘বড় ছেলে’ এখন পাগল…! পাগল জানে না বাতাসে ভাসে তার প্রলাপ। অপূর্ব ভাই অভিনয়ের কথা বাতাসে ভাসবে আজীবন, অবিরত। নাসির মিয়া নামের এক দর্শক লিখেছেন, অপূর্ব ভাই সত্যি আপনি সেরা অভিনেতা, সত্যি নাটকটি অনেক ভালো হয়েছে। এমন অনেক সত্যি ঘটনা ঘটে থাকে যা আমাদের চোখে পরে না, অবশেষে কান্না থামাতেই পারছি না।

এদিকে নাটকে অপূর্ব’র পাগল চরিত্র নিয়ে ‘প্রস্থান’-এর লেখক রাজীব আহমেদ চ্যানেল আই অনলাইনকে জানান, আমার লেখা নাটকের একটি চরিত্র বদ্ধ উন্মাদ, যাতে অভিনয় করেছেন অপূর্ব। নাটকের কিছু স্থিরচিত্র দেখে আমিও রীতিমত বিস্মিত হয়েছি, কারণ যেভাবে উন্মাদ চরিত্রটি গল্পে আছে ঠিক যেন ভিজ্যুয়ালেও তেমনটা! স্বাভাবিকভাবে অপূর্ব ভক্তরা তাকে এই চেহারা দেখে সচকিত হয়ে উঠবেন বলে মনে করেন এই নাট্যকার এবং হচ্ছেনও তাই। ত্রিমাত্রিক হৃদয়ঘটিত গল্প নিয়েই ‘প্রস্থান’। গল্পের মূল উপজীব্য নিয়তি। নিয়তির কাছে মানুষ সবাই বড় অসহায়। যেখানে অপূর্বকে নিয়তি মেনে নেয়ার এমন চেহারায় দেখা যায়। অপূর্ব ছাড়াও এ নাটকে অভিনয় করেছেন মেহজাবীন ও জনি।