দেশে এসেই পুরো দেশবাসীর কাছে কান্না কন্ঠে যে অনুরোধ করলেনঃ তামিম ইকবাল

বিশ্বকাপের ঠিক আগে হঠাৎ করেই নিজেকে গুটিয়ে ফেলেছিলেন বলে মনে হচ্ছিল। মনস্ত্বাত্ত্বিক সমস্যাটি কি আচমকাই হয়েছিল? তামিম: দেখুন, আমি যদি কারও সঙ্গে আলোচনা করি, তারা নানারকম পরামর্শ দেবে যে এটা করো, ওটা করো। কিন্তু কেবল আমিই জানি, ২০১৫ সালে কিসের ভেতর দিয়ে যেতে হয়েছে।

আমি যদিও শিক্ষা নিয়েছি। এবারের সোশ্যাল মিডিয়া ট্রল বা সমালোচনা, জানি অনেক কিছুই হচ্ছে। তবে সেসবের তেমন কোনো প্রভাব আমার ওপর পড়েনি। মনে হয়, ভালোই সামেলেছি। কিন্তু আমি শুধু একটি ব্যাপার নিয়েই ভয় পাচ্ছিলাম, পরিবার। পরিবারকে যেন হেনস্থা না হতে হয়।

আপনারা যদি আমার পরিবারকে হেনস্থা করেন তাহলে তারা সজ্জ করতে পারবেনা। প্লিজ আমার কারনে তাদের কোন ক্ষতি হউক সেটা আমি চাইনা।

আমি নিজে এখন সামলাতে শিখেছি। কিন্তু চাইনি আমার এই সোশ্যাল মিডিয়া ট্রলিং বা এসবে যেন আমার পরিবারকে টেনে আনা হয়। এটাও হচ্ছে। ২০১৫ সালে যখন এসব চলছিল, আমি নিজেই ঠিকভাবে সামলাতে পারিনি। এবার সেরকম হয়নি।

আমি প্রত্যাশ পূরণ করতে পারিনি অনেক কারণে। হয়ত শট নির্বাচন কয়েকটি ম্যাচে ভালো ছিল না। হতো ভাগ্য পাশে ছিল না। ভাগ্যকে আমি অবশ্যই অজুহাত দেব না। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে, সত্যিই এটি একটি কারণ ছিল।