খেলা শুরুর আগেই যেই দুষসংবাদ পেলো বাংলাদেশ!

খেলা শুরু করার কয়েক ঘন্টা আগেই ফিজিও তিহান চন্দ্রমোহনের সঙ্গে মাঠে স্প্রিন্ট দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন মাহমুদউল্লাহ। কিন্তু একটু দৌড়েই পেশিতে হাত রেখে দাঁড়িয়ে গেলেন হয়তো ব্যথায় যদিও লর্ডসের মূল মাঠের পাশে নার্সারি গ্রাউন্ডে তখন চলছিল নেট সেশন। ঠিক এইমুহূর্তে একটি বল গিয়ে ছোবল দিল মুশফিকুর রহিমের হাতে তখনই নেট ছেড়ে গেলেন তিনি। এইজন্যই পাকিস্তান ম্যাচের আগে দুজনকে নিয়েই বেশ দুর্ভাবনায় আছে বাংলাদেশ।

এইদিকে মাহমুদউল্লাহকে আগের ম্যাচেও পায়নি দল। তারউপর আবার নতুন করে দুশ্চিন্তা মুশফিকের চোট যদিও চিড় ধরা পড়েনি। তবে ম্যাচের আগের দিনের চিত্র খুব আশা জাগানিয়া নয় এই বিষয়ে ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ বলেন-“মুশফিকের এখনও ব্যথা আছে অনেক। যদিও এক্সরেতে কোনো চিড় ধরা পড়েনি। তবে ব্যথার তীব্রতা বেশি। সাবধানতার জন্য স্লিংয়ে ঝুলিয়ে রাখছে হাত। কালকে সকালে অবস্থা বুঝে আমরা সিদ্ধান্ত নেব সে খেলতে পারবে কিনা।”

তবে এটা ঠিক যে মাহমুদউল্লাহকে নিয়েও সিদ্ধান্ত হবে ম্যাচের সকালেই। অধিকিন্তু ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে খেলতে না পারায় আক্ষেপ মাহমুদউল্লাহর নিজের ভেতরটা পোড়াচ্ছে এখনও। তাইতো বললেন, পাকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামতেও চেষ্টায় কোনো ঘাটতি থাকবে না।“ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে না পারায় খুব খারাপ লেগেছে। আমি অনেক চেষ্টা করেছিলাম।

অন্যদিকে তিনি আক্ষেপ করে বলেন -ম্যাচের দিন সকালে যতটা সম্ভব পায়ে টপ পেচিয়ে চেষ্টা করেছি দৌড়ানোর। কিন্তু পারছিলামই না। খুব খারাপ লেগেছে দল হেরে যাওয়ার পর।মাহমুদউল্লাহ এই চোট পেয়েছেন গত ২৪ মে সাউথ্যাম্পটনে আফগানিস্তানের সঙ্গে ম্যাচে। ম্যাচের আগে সামান্য ব্যথা ছিল। তবে না খেলার মতো বিপজ্জনক ছিল না। ব্যাটিংয়ের সময় রান নিতে গিয়ে জোরে টান লাগে কাফ মাসলে। সেটিই তাকে ভোগাচ্ছে এখনও।